• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন

এই বিড়ালটি খুঁজে দিলে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার

রিপোর্টার নাম:
আপডেট সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

হারিয়ে যাওয়া পোষা বিড়ালকে খুঁজে পেতে ক্যাম্পাসে হারানো বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রী।

সন্ধানদাতাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

‘সন্দেশ’ নামের প্রিয় বিড়ালের সন্ধান চেয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ভবনের দেয়ালে ছবিসহ হারানো বিজ্ঞপ্তি সাঁটিয়েছেন রাবি ছাত্রী তানিয়া খাতুন।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হলে থাকেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মির্জাপুর গ্রামে।

বিড়াল হারানোর বিজ্ঞপ্তিতে লেখা আছে, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমপাড়া (ছাত্রী হল) থেকে বিড়াল ছানাটি নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে। ছানাটির নাম সন্দেশ। গায়ের রং সম্পূর্ণ সাদা, লেজ সম্পূর্ণ বাদামি ও মাথায় সামান্য বাদামি।

‘ছানাটি হারানোর পর থেকে ওর সঙ্গী বিড়ালটি অসুস্থ হয়ে পড়েছে। খাওয়া বন্ধ করে সারাক্ষণ কান্নাকাটি করছে। ক্যাম্পাস বা হলের আশপাশে যদি কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি বিড়ালটিকে দেখে থাকেন অনুগ্রহ করে জানাবেন। যদি কেউ শখ করে পুষতে নিয়ে থাকেন, দয়া করে আরেকটি বাচ্চার কষ্ট অনুভব করে হলেও ওকে ফিরিয়ে দিন। বাচ্চাটা খুব কষ্ট পাচ্ছে একা একা।’

এ বিষয়ে তানিয়া খাতুন বলেন, ‘আমি মেসে থাকাকালে একটি বিড়ালের তিনটি বাচ্চা হয়। সেখান থেকে একটি ছানা মারা যায়। এরপর বাকি দুটি ছানাকে সন্তানস্নেহে লালনপালন করতাম।

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে আসন পাওয়ার পর বিড়াল ছানা দুটিকেও সঙ্গে করে নিয়ে আসি, কিন্তু গত ৭ আগস্ট হঠাৎ সন্দেশ হারিয়ে যায়। ১২ দিন হয়ে গেলেও ছানাটি খুঁজে পাইনি।’

তানিয়া আরও বলেন, ‘‘সন্দেশের সঙ্গী ছানাটির নাম ‘রসকদম্ব’। তার অনুপস্থিতিতে রসকদম্ব খুব একা হয়ে গেছে। কিছুদিন ধরে সে অসুস্থ। সারাক্ষণ কান্নাকাটি করছে। কিছু খেতে চাচ্ছে না। তাই অসুস্থ ছানাটিকে বাঁচাতে সন্দেশকে প্রয়োজন।”

বিড়ালগুলোর নামকরণের পেছনে কোনো কারণ আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একটি ছানা হঠাৎ মিষ্টিতে মুখ দিয়েছিল, তখন হুট করেই তার নাম সন্দেশ রাখি। নাম ধরে ডাকলে সাড়াও দেয় সে। রস থেকে সন্দেশ, সেই থেকে অপর ছানাটির নাম রাখি রসকদম্ব।’

তানিয়া খাতুন জানান, তার বিড়াল ছানাগুলোর প্রিয় খাবার মাংসের কলিজা। এ ছাড়াও মাংস, মুরগির পা ও মাছ খায় তারা।

শুধু ১০ হাজার টাকা নয়, এর চেয়ে বেশি অর্থ লাগলেও দিতে রাজি আছেন বলে জানান তানিয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরিতে আরো নিউজ