Home » অপরাধ ও আইন » ভারতে শিখ পরিবার হত্যায় ৪৭ পুলিশের যাবজ্জীবন
ভারতে শিখ পরিবার হত্যায় ৪৭ পুলিশের যাবজ্জীবন

ভারতে শিখ পরিবার হত্যায় ৪৭ পুলিশের যাবজ্জীবন

বাংলার কথা ডেস্ক:

১৯৯১ সালে ১০ জন শিখ তীর্থযাত্রীকে বিচার বহির্ভূত হত্যা করার পর নিজেদের অপরাধ ধামাচাপা দেয়ার অপরাধে ৪৭ জন পুলিশ অফিসারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ভারতের একটি বিশেষ আদালত। এই মামলায় জড়িত আরও ১০ পুলিশ কর্মকর্তা ইতিমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছে।

আদালতে প্রমাণিত হয়েছে এই পুলিশ অফিসাররা নকল এনকাউন্টার বা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। ভারতের এই জাতীয় পুলিশ এনকাউন্টার বা হত্যাকাণ্ডের পেছনে দেশটির ধীরগতির ও অনেক ক্ষেত্রে অকার্যকর বিচার ব্যবস্থা দায়ী বলে মনে করা হয়।

২৫ বছর আগের এই ঘটনা ঘটে যখন নারী ও শিশুসহ একদল শিখ পরিবার ভারতের উত্তর প্রদেশের বাসে করে পরিদর্শন করছিলেন ধর্মীয় পবিত্রস্থান। পুলিশ অফিসাররা ফিলিবিত নামের এক জায়গায় তাদের বাস থামান, জোর করে কয়েকজনকে বাসের বাইরে নিয়ে আসেন। এরপর সেখানে আরও পুলিশ অফিসার এসে যুক্ত হলে তারা শিখদের ছেড়ে দেন জঙ্গলে, এবং তাদেরকে পশুর মত শিকার করে হত্যা করেন।

পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনার ব্যাপারে মিথ্যা বলেন। তারা দাবি করেন ঐ লোকগুলো ছিল সশস্ত্র জঙ্গি। তৎকালীন সময়ে শিখ অধ্যুষিত অঞ্চলগুলোতে বেশ কিছু হামলা হয়েছিল শিখদের নিজেদের ভেতরে।

ভারতের সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) বলেছে, পুলিশের ঐ খুনের উদ্দেশ্য ছিল শিখদের সন্ত্রাসী বলে গুলি করে হত্যা করার ঘটনা দেখিয়ে পুরষ্কার আদায় করা।

রায়ের পর নিহতদের পরিবার পরিজন বলেছে, আমরা এই বিচারে সন্তুষ্ট না। এদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া উচিৎ ছিল। সেজন্য আদালতে আবার আপিল করবো আমরা।

 

বাংলার কথা/০৫ এপ্রিল, ২০১৬

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*