Home » উত্তরের খবর » ‘রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নদীবন্দর গড়ে তুলতে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী’
‘রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নদীবন্দর গড়ে তুলতে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী’

‘রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নদীবন্দর গড়ে তুলতে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী’

নিজস্ব প্রতিবেদক ০
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নদীবন্দর করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগ্রহী বলে জানিয়েছেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। গত ৩ মার্চ রাজশাহী সেনানিবাসে আলাপচারিতার সময় প্রধানমন্ত্রী এ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন বলে জানান মেয়র।

 

গত ৩ মার্চ রাজশাহী সেনানিবাসে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ও মেয়রপত্নী মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র-সভাপতি শাহীন আকতার রেনী।

 

অনুষ্ঠানে শেষে অতিথিদের সাথে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগ মহুূর্তে সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মেয়র খায়রুজ্জামান ও শাহীন আকতার রেনী।

 

এ সময় প্রধানমন্ত্রী মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনকে জিজ্ঞেস করেন, ‘তোমার এখানে ড্রেজার আসেনি? উত্তরে মেয়র বলেন, ‘হ্যাঁ আপা এসেছে।’ তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমিই ড্রেজার পাঠিয়েছি। ড্রেজিং কাজ শুরু হোক। আগামীতে পদ্মা নদীতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করার পরিকল্পনা রয়েছে। তাহলে রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক মানের নদীবন্দর করা সম্ভব হবে।’

 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশরনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আমার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক নদীবন্দর গড়ে তোলা। রাজশাহীর পাশেই যেহেতু ভারত, তাই এখানে নদীবন্দর হলে ভারতে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজ হবে। রাজশাহীতে শিল্পায়ন গড়ে তোলাও সহজ হবে।

 

মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন আরো বলেন, সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতার সময় প্রধানমন্ত্রী এখানে নদীবন্দর গড়ে তোলার আগ্রহের কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী জানান, পদ্মা নদীতে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ উদ্যোগে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করার পরিকল্পনাও তাঁর রয়েছে। এ সময় রাজশাহীর উন্নয়নে অন্যান্য সহযোগিতার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী।

 

বাংলার কথা/পিআর/মার্চ ০৫, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*