Home » উত্তরের খবর » শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র বাতিলের দাবি রাজশাহীর শিক্ষকদের
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র বাতিলের দাবি রাজশাহীর শিক্ষকদের

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র বাতিলের দাবি রাজশাহীর শিক্ষকদের

নিজস্ব প্রতিবেদক ০
অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নিয়োগের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত পরিপত্র বাতিলের দাবি জানিয়েছেন রাজশাহীর শিক্ষক নেতারা। সোমবার (৪ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে নগরীর শাহ মখদুম কলেজের হলরুমে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

 

জাতীয় শিক্ষক-কর্মচারী ফ্রন্টের রাজশাহী জেলা শাখার ব্যানারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফ্রন্টের জেলার আহ্বায়ক শফিকুর রহমান বাদশা। তিনি নতুন পরিপত্র বাতিলের পাশাপাশি ২০১০ সালের শিক্ষানীতির আলোকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা আইন প্রনয়ণসহ ১০ দফা দাবি জানান।

 

শফিকুর রহমান বাদশা বলেন, বর্তমান পরিপত্রে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেতে শুধুমাত্র উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ এবং ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ আবেদন করতে পারবেন। কোনো শিক্ষকেরই আবেদন করার যোগ্যতা নেই। অথচ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিধান অনুযায়ী কলেজে ১৫ বছর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলেই অধ্যক্ষ পদের জন্য আবেদন করা যায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র বাতিল করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধান চালু রাখার দাবি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।

 

সংবাদ সম্মেলন জানানো হয়, বর্তমান পরিপত্রে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র সহকারী প্রধান শিক্ষক ও জুনিয়র প্রধান শিক্ষক আবেদন করতে পারবেন। আগের পরিপত্রে ১২ বছর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকলেই প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারতেন। বর্তমান পরিপত্রের কারণে অনেক অভিজ্ঞ শিক্ষক প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের আবেদন করতে পারবেন না।

 

সংবাদ সম্মেলন আরো জানানো হয়, বর্তমান সংশোধনীতে উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ ও ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে সহকারী অধ্যাপক হওয়া বাধ্যতামূলক করায় অনেক যোগ্য শিক্ষক ২৫ থেকে ৩০ বছর প্রভাষক পদে চাকরি করেও আবেদন করতে পারবেন না। অন্যদিকে নতুন প্রতিষ্ঠানে ৮ বছরে সহকারী অধ্যাপক হয়ে ১২ বছর চাকরি করে অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ পদে আবেদন করা যাবে। এটা কখনই যুক্তিযুক্ত হতে পারে না।

 

সংবাদ সম্মেলন থেকে নতুন পরিপত্র বাতিলের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি ২০১০ সালের পরিপত্র অনুযায়ী সহযোগী অধ্যাপকের পদে পদোন্নতি এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনুপাত প্রথা বাতিলেরও দাবি জানানো হয়। অনুপাত প্রথা বাতিল করা হলে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সব জটিলতার অবসান হবে বলে মনে করেন শিক্ষক নেতৃবৃন্দ।

 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ফ্রন্ট্রের জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল বারী, অধ্যক্ষ রাজকুমার সরকার, আবদুর রাজ্জাক, মজিবর রহমান, অধ্যক্ষ জুলফিকার জুলফিকার আহমেদ গোলাপ, অধ্যক্ষ আলমগীর মালেক, অধ্যক্ষ এসএম রেজাউল ইসলাম প্রমুখ।

 

বাংলার কথা/মার্চ ০৪, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*