Home » অপরাধ ও আইন » পুলিশ কর্মকর্তাকে পেটালেন কাউন্সিলর
পুলিশ কর্মকর্তাকে পেটালেন কাউন্সিলর

পুলিশ কর্মকর্তাকে পেটালেন কাউন্সিলর

নিজস্ব প্রতিবেদক ০
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নিত্যপদ দাসকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের আওয়ামী লীগ সমর্থিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম তজু ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল তিনটার দিকে নগরীর হেতেমখাঁ সাহাজিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত পুলিশ কমকর্তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম তজুসহ ৫ জনকে বোয়ালিয়া মডেল থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বেশ কিছু দিন ধরে সাহাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাকিব ও রতনের পরিবারের সাথে প্রতিবেশি জিয়ার রাস্তার জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে নগরীর ১১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম তজুকে অভিযোগ করেন জিয়া। শনিবার রাতে মীমাংসার জন্য কাউন্সিলর তজু তার চেম্বারে সাকিব ও রতনকে ডেকে আনতে দু’জন লোক পাঠান। এসময় কাউন্সিলরের পাঠানো লোকদের সাথে সাকিব ও রতনদের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে কাউন্সিলরের লোকদের সাথে সাকিব ও রতনের মারামারি হয়। এতে সাকিবের মাথা ফেটে গেলে আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 

সোমবার সাকিব হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে বিকেল তিনটার দিকে কাউন্সিলরের ওই দুজন লোককে মারার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে আরো লোকজনকে নিয়ে কাউন্সিলর ঘটনাস্থলে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে বোয়ালিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নিত্যপদ দাস ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় পুলিশ দুই পক্ষকে থামাতে চেষ্টা করলে কাউন্সিলর ও তার লোকজন নিত্যপদ দাসকে পিটিয়ে আহত করে। তাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে কাউন্সিলর তজুসহ ৫জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও বিশেষ শাখার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ইফতে খায়ের আলম ও বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি আমান উল্লাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, দুই পক্ষের মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে। এসময় কাউন্সিলরসহ তার লোকজন পুলিশ পরিদর্শক নিত্যপদ দাসকে মারধর করেছে। এ জন্য ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবিউল ইসলাম তজুসহ ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

বাংলার কথা/জানুয়ারি ২৮, ২০১৯

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*