Home » অন্যান্য » শরতের কাশফুল
শরতের কাশফুল

শরতের কাশফুল

এ্যানি দে

কখনো রোদ্রজ্জল আকাশে খন্ড খন্ড ভাসমান মেঘ, কখনোও বৃষ্টি। শরতের আগমনে বর্ষা ঋতুকে বিদায় জানিয়ে প্রকৃতি বরণ করে শরৎকালকে। শরৎকে বলা হয় শুভ্রতার প্রতীক। শিউলি ফুল, স্বচ্ছ আকাশ, মায়াবী জ্যোৎস্নার কারণেই এমন নাম হয়েছে। তবে এদের সবার মধ্যে অন্যতম কাশফুল। আর শরৎকে স্বাগত জানাতেই বছর বছর মেতে উঠে কাশ ফুলেরা।

 

রাজশাহী মহানগরীর সিমলা নামক এলাকার নদীর পাড়ে মাথা উচু করে দোল খাচ্ছে শুভ্র সাদা এই কাশফুল গুলো। সেখানে প্রকৃতির নিয়মেই তৈরী হয়েছে এক কাশফুলের বাগান। আর এই নজর কারা কাশফুলের হাতছানি মানুষের মনকে ভীষনভাবে মোহিত করছে।আর এজন্য প্রায় প্রতিদিনই এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে স্থানীয়সহ বেড়াতে আসা পর্যটকরা ভীড় জমান এই জায়গায়। নদীর ধার, জলাভূমি, চরাঞ্চল, শুকনো রুক্ষ এলাকা, গ্রামে রাস্তার ধার সহ যে কোনো জায়গায় কাশের ঝাড় বেড়ে ওঠে।

বাংলা সাহিত্যেও কাশবনের বহু বর্ণনা পাওয়া যায়। কাশফুলের ইংরেজী নাম Kans Grass ও উদ্ভিদতাত্ত্বিক বৈজ্ঞানিক নাম Saccharum Sportaneum এটি ঘাসজাতীয় জলজ উদ্ভিদ। কাশফুলের মঞ্জুরী দণ্ড ১৫ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। কাশ উদ্ভিদ প্রজাতির, উচ্চতায় তিন মিটার থেকে পনের মিটার লম্বা হয়ে থাকে। আর এর শেকড় গুচ্ছমূল থাকে। পাতা রুক্ষ ও সোজা দেখায়। পালকের মতো নরম আর সাদা কাশফুল । কাশফুল শুভ্রতার অর্থে শান্তি বার্তা বয়ে আনে। আর এ জন্যই সনাতন ধর্মাবলম্বীরা শুভ কাজে ব্যবহার করে থাকেন কাশফুলের পাতা বা ফুল।

 

এ্যানি দে, রাজশাহী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*