Home » অর্থনীতি » ফুটপাতে থ্রি-পিস বিক্রির ধুম
ফুটপাতে থ্রি-পিস বিক্রির ধুম

ফুটপাতে থ্রি-পিস বিক্রির ধুম

নিজস্ব প্রতিবেদক ০
আজ ২৯ মে মঙ্গলবার। রমজান মাসের ১২তম দিন। ঈদের এখনও বাকি প্রায় ১৮ দিন। কিন্তু এখন থেকেই নারী ও শিশুদের পোশাক কেনাকাটার ধুম পড়েছে রাজশাহীতে।

রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার কাপড়পট্টির পাশাপাশি নগরীর ফুটপাতগুলোতে রঙ বেরঙের নকশায় আঁকা নারীদের থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে দেদারসে। সাধারণ ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষসহ বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও পাল্লা দিয়ে কিনছেন এসব থ্রি-পিস। বিভিন্ন রঙ ও ডিজাইনের থ্রি-পিস বিক্রিতে ব্যবসায়ীদের যেন দম ফেলার সময় নেই এখন।

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে রাস্তার ধারে নিত্য-নতুন থ্রি-পিসের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার সকালে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, গোটা রাস্তায় যেন বিকিকিনির মেলা বসেছে। কেউ নিজের জন্য, কেউ বা পরিবারের জন্য কম দামে একাধিক থ্রি-পিস কিনছেন। কেউ দশটা বেছে একটা পছন্দ করছেন, আবার দলবেঁধে দেখে শুনে কিনছেন কেউ।

ফুটপাত ব্যবসায়ী মমিনুল ইসলাম পিয়াল জানান, ‘মার্কেটের থ্রি-পিস থেকে আমাদেরগুলোও কম যায় না। আমাদের অনেক থ্রি-পিস রয়েছে, যা বড় বড় মার্কেটে পাওয়া যাবে। তাই ক্রেতারা একই জিনিস এখানে কম দামে পাচ্ছে, আমরাও চেষ্টা করছি সকল আইটেম রাখার। ভালো জিনিস কম দামে পাচ্ছে, এজন্যই ক্রেতারা প্রতিযোগিতা নিয়ে কিনছে। আমাদের এখানে সর্বনি¤্ন ১২৫ থেকে সর্বোচ্চ ১২০০ টাকার থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে।’

তিনি জানান, ‘কয়েক মাস থেকে থ্রিপিস বিক্রি করছি। তবে ঈদকে সামনে রেখে এখন ভিড় হচ্ছে। আমাদের এখানে সুতি থ্রি-পিস বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকায়, সুতি ওয়ান পিস বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়, লিনেন জোড়া বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকায়, গ্রাউন্ড পিস বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায়, টু-পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় এবং ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সকল প্রকার থ্রি-পিস। প্রতিদিন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার থ্রি-পিস বিক্রি করছি আমরা। এসব থ্রি-পিস ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আনা। আর বুটিক টাইপের থ্রি-পিসগুলো বিভিন্ন এলাকা থেকে আনা হচ্ছে।’

থ্রি-পিস কিনতে আসা হালিমা বেগম জানান, বাজারে কিছু কেনাকাটা ছিলো। কেনাকাটা শেষ করেই এখানকার কথা মনে হলো। কয়েক মাস আগে এখান থেকে দু’টা থ্রি-পিস নিয়েছিলাম, ভালোই চলেছে। তাই এবারো তিনটা কিনে নিলাম। আমার জন্যে একটা, বোনের জন্য একটা, আর ভাগনির জন্য একটা। এক জোড়া কিনলাম ৫০০ টাকায়, আর অন্য দুটা নিলাম ৩৫০ টাকা করে।

আরেক ক্রেতা আফরোজা আক্তার শিখা জানান, এখানকার থ্রি-পিসগুলো দাম হিসেবে খারাপ না। আগে আসলে একটু ভালো পাওয়া যায়, তাই আজ আগেই এসেছি। গত পরশু এসে দু’টা নিয়ে গিয়েছিলাম। আজকে বোনকে সাথে নিয়ে এসেছি। দু’জন মিলে দেখে শুনে চারটি থ্রি-পিস কিনলাম। আমাদের পরিবারের জন্যে পরে আরো কয়েকটি কিনবো।

বাংলার কথা/মে ২৯, ২০১৮

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*