Home » উত্তরের খবর » বাঘারপাড়ায় মাদরাসা কর্মচারীর বস্তাবন্দি লাশ

বাঘারপাড়ায় মাদরাসা কর্মচারীর বস্তাবন্দি লাশ

বাংলার কথা ডেস্ক ০

যশোরের বাঘারপাড়ায় আসাদুজ্জামান আসাদ (৫০) নামের এক মাদরাসা কর্মচারীর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গলা কেটে ও মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। শুক্রবার বাঘারপাড়ার নারিকেলবাড়িয়া চিত্রা নদীর পাশে শ্মশানঘাট থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতের স্বজনদের দাবি, গত মঙ্গলবার রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে তুলে নিয়ে খুন করে। পরে লাশটি বস্তায় পুরে শ্মশানঘাটে ফেলে রেখে যায়।

নিহত আসাদ নারিকেলবাড়িয়া পশ্চিমা মাদরাসার কেরানি ছিলেন। তিনি পশ্চিমা গ্রামের ইসহাক মোল্লার ছেলে। মেয়েলি ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

নিহতের চাচাতো ভাই কুদ্দুস হোসেন জানান, পশ্চিমা গ্রামের রসুলের স্ত্রীর সঙ্গে আসাদের পরকীয়া ছিল। এই নিয়ে এলাকায় ঝামেলা চলছিল। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে আসাদ নারিকেলবাড়িয়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দত্তপাড়া রাস্তা থেকে অপহৃত হন। এরপর তার ব্যবহৃত বাইসাইকেলটি পশ্চিমা পাকা রাস্তার মোড়ে পাওয়া যায়। কিন্তু তার সন্ধান মেলেনি। পরদিন বুধবার বাঘারপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। পুলিশ ওই দিন রাতে রসুলের স্ত্রীসহ তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু পরে তাদের ছেড়েও দেয়।

বাঘারপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওহেদুজামান বলেন, ‘খবর পেয়ে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আসাদের গলা কাটা, মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

তিনি জানান, গত ৮ মে রাতে দুর্বৃত্ত আসাদকে অপহরণ করে। ধারণা করা হচ্ছে, মেয়েলি ঘটনায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে যশোর হাসপাতালে মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

বাঘারপাড়া থানার ওসি মনজুরুল আলম বলেন, ‘আসাদ কী কারণে খুন হয়েছে তা এই মুহূর্তে বলা কঠিন। তবে তার চরিত্র ভালো ছিল না। দুইজন নারীর সাথে তার অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। চাচাতো ভাইদের সাথে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। এ ছাড়াও সে ছিল মাদকাসক্ত। সব কিছু মাথায় রেখে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’

বাংলার কথা/সাইফ/১১ মে ২০১৮