Today January 20, 2018, 8:58 am |
Home » বিশ্ববিদ্যালয় » রাবিতে সাইকেল চুরি, ছাত্রলীগ নেতার প্রচেষ্টার উদ্ধার

রাবিতে সাইকেল চুরি, ছাত্রলীগ নেতার প্রচেষ্টার উদ্ধার

রাবি প্রতিনিধি0
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) মমতাজ উদ্দীন কলাভবনের নিচতলা থেকে প্রায় দেড় মাস আগে সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রানা মিয়ার সাইকেল চুরি হয়। আজ মঙ্গলবার তিনি ওই ভবনে ক্লাস করতে এসে চুরি যাওয়া তার সাইকেলটি দেখতে পান। বিষয়টি তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান এহসান, কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক এস এম জীবনকে জানান। এ সময় সাইকেলটি সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী জনি ইসলাম নিতে এলে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি সাইকেলটি কদিন আগে দোকান থেকে কিনেছেন বলে জানান। জনির তথ্যের ভিত্তিতে ছাত্রলীগ নেতারা ওই দুই শিক্ষার্থীকে নিয়ে ওই দোকানে গেলে দোকানি সাইকেলটি অন্য একজনের কাছ থেকে কিনেছেন বলে রশিদ দেখান। পরে দোকানি জনিকে সাইকেলের ক্রয়মূল্য ফেরত দিলে সাইকেলটি প্রকৃত মালিক রানাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের সাইকেল চুরি প্রায় নিত্তমৈমত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক ভবন ও আবাসিক হল থেকে হরহামেশাই সাইকেল চুরির ঘটনা ঘটছে। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সময়ে সাইকেল চুরি যাওয়া প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, জড়িতদের খুঁজে বের করাসহ নিরাপত্তা বৃদ্ধি দাবি জানালেও থামেনি সাইকেল চুরি। দিনদুপুরে সাইকেল চুরি হয়ে গেলেও তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি কখনোই। এর আগে চুরি যাওয়া সাইকেলের কোন হদিস না মিললেও এবারই প্রথম সাইকেল ফিরে পাওয়া গেছে।

সাইকেলের মালিক রানা মিয়া বলেন, ‘মমতাজ উদ্দীন কলাভবনের নিচ তলায় সাইকেল রেখেছিলাম। মাত্র ১৫ মিনিট পর এসে দেখি সাইকেলটি চুরি হয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাইনি। আজ সাইকেলটি দেখেই বুঝতে পারি সেটি আমার সাইকেল। চুরি যাওয়া সাইকেলটি আবার ফিরে পাব এটা ভাবতেই পারিনি।’

জানতে চাইলে জনি ইসলাম বলেন, ‘কাটাখালির বিসমিল্লাহ সাইকেল ভান্ডার থেকে ৬ ডিসেম্বর সাইকেলটি ৪৪৬০ টাকায় ক্রয় করি। কিন্তু সেটি চুরি যাওয়া সাইকেল তা আমি জানতাম না। পরে ছাত্রলীগ নেতা জীবন আমাদের ওই দোকানে নিয়ে গেলে দোকানি পুরো টাকা ফেরত দেয়। সাইকেলটির প্রকৃত মালিক রানাকে সাইকেলটি ফেরত দিয়েছি।’

জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতা এস.এম জীবন বলেন, ‘রনি তার চুরি সাইকেলটি আজ দেখতে পেয়ে আমাকে জানায়। আমি তাকে সাইকেলটিকে লক্ষ্য রাখতে বলি। পরে জনি সাইকেলটি নিতে এলে তাকে জিজ্ঞেস করলে সে সাইকেলটি দোকান থেকে কিনেছে বলে জানায়। আমরা ওই দোকানে গেলে দোকানি সাইকেলটি জনি ইসলাম নামের একজনের কাছ থেকে কিনেছেন বলে রশিদ দেখান। দোকানি সাইকেলের ক্রেতা জনি ইসলামকে সাইকেলের মূল্য মূল্য প্রদান করে। সাইকেলের প্রকৃত মালিক রানা মিয়াকে সাইকেলটি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।’

বিসমিল্লাহ সাইকেল ভান্ডার নামের ওই দোকানের রশিদ থেকে দেখা যায় সেখানে বিক্রেতা নাম লেখা মো. সেলিম রাজু। ঠিকানার স্থলে লিখা ‘নওদাপাড়া রাজশাহী’।

ছাত্রলীগ নেতা জীবন বলেন, ‘দোকানির সাইকেলটির বিক্রেতার (সেলিম) পরিচয় বিষয়ে বেশি কিছু জানাতে পারেন নি। রশিদে বিক্রেতার ফোন নাম্বারও লিখা নেই।’

বাংলার কথা/সাইফ/ডিসেম্বর ১২, ২০১৭

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: ড. প্রদীপ কুমার পান্ডে
সম্পাদক: শ.ম সাজু
সহকারী সম্পাদক (রংপুর বিভাগ): তিতাস আলম
২০৯ (৩য় তলা), বোয়ালিয়া থানার মোড়, কুমারপাড়া, রাজশাহী। ফোন: ০১৯২৭-৩৬২৩৭৩, ই-মেইল: banglarkotha.news@gmail.com